একুশে ফেব্রুয়ারি মানেই বাঙালির আত্মপরিচয়ের সংগ্রাম, ভাষার জন্য আত্মত্যাগের অমর ইতিহাস। ১৯৫৩ সালে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে মুনাজাত করার একটি আলোকচিত্র পাওয়া যায়। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে রাষ্ট্রীয়ভাবে এ ধরনের মুনাজাতের নজির খুব একটা দেখা যায়নি।
বহু বছর পর, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে স্বৈরাচারী শাসনের অবসানের পর আবারও শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয়ভাবে মুনাজাতের আয়োজন করা হলো। প্রধানমন্ত্রীর পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের পর এই দোয়া অনুষ্ঠিত হয়, যা অনেকের কাছে ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতার পুনরাবিষ্কার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ভাষা আন্দোলনের শহীদরা কেবল একটি ভাষার স্বীকৃতির জন্য জীবন দেননি; তারা বাঙালির সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আত্মমর্যাদার ভিত্তি নির্মাণ করেছিলেন। সেই আত্মত্যাগের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাষ্ট্রীয় মুনাজাতের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।
এটি শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়—বরং ইতিহাস, আবেগ ও জাতীয় চেতনার সঙ্গে রাষ্ট্রের একটি প্রতীকী সংযোগ।
ডিবিএন ডেস্ক