ভাষা আন্দোলন শুধু ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই নয়, এটি ছিল বাঙালির রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও জাতিসত্তার আত্মপ্রকাশের সূচনা। এই আন্দোলনের পথ ধরেই পরবর্তীতে আসে স্বাধীনতার সংগ্রাম এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস: বিশ্বব্যাপী ভাষার অধিকার স্বীকৃতি
বাংলা ভাষার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগের ইতিহাস আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও স্বীকৃতি পায়। ১৯৯৯ সালে UNESCO ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ২০০০ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হচ্ছে ভাষাগত বৈচিত্র্য ও মাতৃভাষার অধিকার রক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে।
এই দিনটি স্মরণ করিয়ে দেয়—নিজের ভাষা, সংস্কৃতি ও পরিচয় রক্ষার লড়াই কতটা গুরুত্বপূর্ণ। পৃথিবীর প্রতিটি ভাষা একটি জাতির ইতিহাস, জ্ঞান ও আত্মপরিচয়ের বাহক।
শ্রদ্ধা ও অঙ্গীকার
২১ ফেব্রুয়ারি মানেই শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো, কালো ব্যাজ ধারণ এবং ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করা। একই সঙ্গে এটি আমাদের অঙ্গীকারের দিন—মাতৃভাষার শুদ্ধ চর্চা, সংরক্ষণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এর গুরুত্ব তুলে ধরার।
ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। তাঁদের আত্মত্যাগ আমাদের পথ দেখায়—ভাষা, অধিকার ও ন্যায়ের প্রশ্নে কখনো মাথা নত না করার সাহস।
ডিবিএন ডেস্ক