আহতরা হলেন- বিএনপি নেতা ও পত্তাশী ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম ফকির (৫৫), স্বেচ্ছাসেবক দলের ইউনিয়ন সভাপতি জাহিদ হোসেন (৩৮), একই ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. নাহিদ হোসেন (১৮), নাছির উদ্দীন ফকির (৫০) ও নাইম হোসেন (২৮)।
আহত জাহিদ হোসেন ও নাসির ফকির বলেন, পত্তাশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক নাসির উদ্দীন টুকু এবং তার ছাত্রলীগ করা ছেলে রায়হান, টুকুর ভাই যুবলীগ নেতা আলাউদ্দিনের নেতৃত্বে ৮-১০ জনে মিলে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। আমাদের অপরাধ আমরা বিএনপি করি। ৫ তারিখের প্রতিশোধ নিতেই তারা আমাদের ওপরে হামলা চালিয়েছে।
এবিষয়ে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা নাসির উদ্দীন টুকু অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, আমি মারামারি থামাতে গিয়ে নিজেই আহত হয়েছি। আমাকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হচ্ছে।
ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার জানান, আহতরা জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দেয়ার কথা বলেছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ডিবিএন ডেস্ক