গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের নেতৃবৃন্দ আজ ১৩ মার্চ ২০২৬ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “গতকাল ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে। রেওয়াজ অনুযায়ী শোকপ্রস্তাব উত্থাপিত এবং গৃহীত হয়। এদিন আমরা অত্যন্ত বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করলাম, মহান মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যার সহযোগী চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের নাম শোকপ্রস্তাবে উত্থাপিত হয় এবং স্পিকার তা অনুমোদন করেন। এটি মুক্তিযুদ্ধের লাখো শহীদের রক্তের সাথে চরম বিশ্বাসঘাতকতা। এই ঘটনা একই সাথে জাতীয় সংসদকেও কলঙ্কিত করেছে। যে শোকপ্রস্তাবে শহীদ আবু সাঈদ, মীর মুগ্ধ, ফারহান ফাইয়াজ, শাহরিয়ার আনাসসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীরদের স্মরণ করা হয়, যাঁরা চব্বিশে গণহত্যার শিকার হয়েছিলেন—সেই একই শোকপ্রস্তাবে একাত্তরের গণহত্যাকারীদের নাম কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, “বিএনপি নির্বাচনের আগে নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বলে দাবি করেছে এবং ভোট নিয়েছে। অথচ আমরা দেখলাম, সেই দলের চীফ হুইপ চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের নাম শোকপ্রস্তাবে উত্থাপন করলেন এবং স্পিকার তার অনুমোদন দিলেন। এটি স্পষ্টত দ্বিচারিতা এবং জনগণের সাথে প্রতারণা।”
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন–
দিলীপ রায় (সমন্বয়ক, গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট ও
সভাপতি, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী)
সালমান সিদ্দিকী (সভাপতি, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট)
তামজিদ হায়দার চঞ্চল (সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন)
ছায়েদুল হক নিশান (সভাপতি, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল)
অমল ত্রিপুরা (সভাপতি, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ)
তাওফিকা প্রিয়া (সভাপতি, বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন)
ডিবিএন ডেস্ক